Sale!

Krishnaghana Jaam (কৃষ্ণঘন যাম)

(1 customer review)

Rs.120.00 Rs.96.00

Out of stock

Category:
Share this

Description

ইতিহাসিক উপন্যাস লিখলেই প্রথমেই তুলনা সে শরদিন্দুর সঙ্গে। আর এটাই জয়দীপের প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিলো। আর তিনি তা সসম্মানে উত্তীর্ণ হয়ে গেছেন। সম্পূর্ন নিজেস্ব স্টাইলে লিখেছেন ‘কৃষ্ণঘন যাম’।

Additional information

Weight 0.75 kg
Dimensions 21 × 13 × 0.76 in
Author

Language

Binding

Page Count

Flipkart

1 review for Krishnaghana Jaam (কৃষ্ণঘন যাম)

  1. Alokparna

    যা কিছু গোপন তা যেমন উন্মুক্ত হওয়ার জন্যই গুপ্ত, তেমনই পেঁয়াজের খোসা ছাড়ানোর মত একের পর এক ঘটনা আমাদের সামনে আসতে থাকে। পরতে পরতে ঘটনাক্রম আমাদের হাত ধরে গভীরে নিয়ে যায়। এবং এক সময় আমরা আবিষ্কার করি, ছোটনাগপুরের পথ ছেড়ে আমরা কখন যেন এসে পড়েছি বিষ্ণুপুরে, মহারাজ হাম্বিরের সামনে। এবং তার সাথে সাথে আমাদের হাত ধরে বৈষ্ণব ভাবধারা, মেঘের আড়াল থেকে চলমান সুর্যের মতই অপ্রত্যাশিত ভাবে।
    কৃষ্ণঘন যাম, গোটা কালোরাত জুড়ে জয়দীপ আমাদের গল্প শোনাননি। তিনি ইতিহাসকে জ্যান্ত করে গিয়েছেন। জয়দীপকে যেহেতু ব্যক্তিগতভাবে চিনি সেহেতু বলতে পারি, শুধুমাত্র লেখনীতেই নয়, মৌখিক বর্ণনাতেও জয়দীপ ইতিহাসকে চোখের সামনে জীবন্ত করে দিতে পারেন। এবং সেই পারদর্শিতা পুরো বইতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। পাঠককে শুধু দিল থামকে বসতে হবে, এক থ্রি ডি শো শুরু হওয়ার অপেক্ষায়। এবং সবশেষে রাতারাতি বাজিমাত করে বেরিয়ে যাবেন জয়দীপ।
    এই গোটা বইটাকে যদি এক কথায় প্রকাশ করতে বলা হয়, তাহলে বলা উচিৎ, এটি unputdownable,- এর বাংলা কি হওয়া উচিৎ তা নিয়ে আমি বেশ সময় অতিবাহিত করে দেখেছি, সুবিধা হয়নি। আমার মতে লেখক তখনই সফল হন, যখন তিনি পাঠককে একটানে বইয়ের মধ্যে এনে দাঁড় করিয়ে দেন। আমাদের চোখের সামনে দল- মর্দন থেকে গোলা ছুটে যায় বিষ্ণুপুরের আকাশ চিরে, ভাগিরথীর তীরে এসে থামে নবাবের বজরা, যুবরাজ কৃষ্ণ সিংহর সাথে সাথে পাঠকও যেন বর্গী সেনাদের তাবুতে নজর রেখে চলেন সারাটা রাত জুড়ে। এবং রোমহর্ষক সমস্ত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে দিনেন্দ্রর সাথে আমরা এসে পৌঁছোই মুর্শিদাবাদে। এক ঐতিহাসিক পর্যটন এসে থামে এই খানে। তবে পুরোপুরি থেমে যায় কি? আমরা যেমন জানতাম ছোটনাগপুরের রাস্তায় সেই যাত্রার শুরুয়াৎ অন্য কোথাও হয়েছিল, তেমনই আমি আশা রাখি এই গাঢ় কালো রাতের শেষ অন্য কোথাও হবে। আবার হয়তো নিজের হৃৎপিন্ডটাকে হাতে নিয়ে এসে বসবো জয়দীপের ইতিহাস ক্লাসে।

    Was this review helpful to you?
Add a review

Your email address will not be published. Required fields are marked *